Breaking News

প্রকাশিত ফেইসবুক স্ট্যাটাসের প্রতিবাদ



সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার বংশীকুন্ডা (উঃ) ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা শফিকুল ইসলাম সবুজের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি কুচক্রী মহল প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। এই প্রপাগান্ডার লিখিত প্রতিবাদ করেছেন তিনি।তার লিখিত প্রতিবাদে তিনি উল্লেখ করেন

‘আমি মোঃ শফিকুল ইসলাম সবুজ, উদ্যোক্তা, বংশীকুন্ডা( উঃ),ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ। গত ১৯/ ০১/২০২০ ইং তারিখে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (Golam Rabbani) এর ফেইসবুক একাউন্ট থেকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় একটি কুচক্রী মহল প্রপাগাণ্ডা চালিয়ে স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয় যে ‘




ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপিত তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক কেন্দ্র ‘ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার’ (UDC); ‘জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা’ (Service at Doorsteps), অর্থাৎ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারি-বেসরকারি তথ্য ও সেবা পৌঁছে দিতেই সরকারের এই মহতী উদ্যোগ।


ইউডিসি থেকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী সহজে ও কম খরচে প্রায় ৬০ ধরনের সরকারি-বেসরকারি সেবা পাচ্ছে। প্রতিটি সেবার জন্য গ্রহণযোগ্য হারে সরকার নির্ধারিত ফি রয়েছে, যা থেকে উদ্যোক্তারা মাসে গড়ে ৪০-৫০ হাজার টাকা উপার্জনেরও সুযোগ পাচ্ছে। যেহেতু প্রতিটি UDC তে সরকারি খরচে (গড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার) কম্পিউটার, প্রিন্টার স্ক্যানার, ইন্টারনেট মডেম, প্রজেক্টের প্রভৃতি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়, এজন্য উদ্যোক্তাদের বাড়তি খরচ তেমন প্রয়োজন হয় না, তাই জনগণকে সেবা প্রদানে মাত্রাতিরিক্ত ফি আদায় কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।


কিন্তু Team Positive Bangladesh (TPB) প্লাটফর্মে প্রায়শই অভিযোগ আসছে, অতিমুনাফার লোভে অনেকেই সেবার বিনিময়ে বাড়তি অর্থ আদায় করে। অনেকক্ষেত্রে চেয়ারম্যান মেম্বাররাও এই অনৈতিক কাজের অংশীদার। যেমন, তথ্য কেন্দ্র থেকে জন্মনিবন্ধন তোলার জন্য নির্ধারিত ফি, বয়স জন্মদিন থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত = কোন টাকা লাগেনা, বয়স ৪৫ দিন এর পর থেকে ৫ বছর পর্যন্ত = ২৫ টাকা, আর ৫ বছর এর বেশি হলে ৫০ টাকা।


সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার, মধ্যনগর থানা, সাউদপাড়ার ১ নং বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন এর ডিজিটাল সেন্টারে জন্ম নিবন্ধন তোলার জন্য নূন্যতম ১৫০ টাকা থেকে ২৫০/৩০০ টাকা রাখা হচ্ছে। উক্ত কেন্দ্রের উদ্যোক্তা জনাব শফিকুল ইসলাম সবুজ ও তার স্ত্রী ২০১১ সাল থেকে এই কেন্দ্রটি চালিয়ে আসছেন। আশা করছি, অনতিবিলম্ব ১ নং বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের সম্মানিত চেয়ারম্যান, সচিব মহোদয় এবং ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এই বাড়তি ফি আদায় বন্ধ করার কার্যকর উদ্যোগ নেবেন।


সেইসাথে, সকল ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের সামনে সেবাসমূহের জন্য নির্ধারিত ফি উল্লেখপূর্বক ডিজিটাল ব্যানার টানানো বাধ্যতামূলক করা হোক, যেন এই ধরনের কোন অসাধু উদ্যোক্তা বাড়তি ফি আদায় করতে না পারে।


যাহা সম্পুর্ন মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রকাশিত উক্ত স্ট্যাটাসের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


উল্লেখ,বিগত ১০.০৯.২০২০ এ সদ্য বিদায়ী সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বংশীকুন্ডা (উঃ)ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। এই ব্যাপারে সন্তোষজনক মতামত প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন সময়ে সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এই নিয়ে ১৭ বার পরিদর্শন করেছেন।


এই বিষয়ে সাধারন নাগরিকদের সাথে কথা বললে তারা জানান,আমাদের এলাকার আশপাশে ও পাশ্ববর্তী এলাকায় অনেক ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার রয়েছে যেখানে এই ডিজিটাল সেন্টারের মতো সুন্দর পরিবেশ ও সেবা পাওয়া দুস্কর।এছাড়াও সহকারী হিসেবে এখানে আরোও তিন জন কাজ করে এখানে।যারফলে আমরা সুন্দরভাবে সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় সেবা সমূহ পাচ্ছি।

বংশীকুন্ডা (উঃ) ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গুনেন্দ্র কুমার তালুকদার বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রকাশিত অভিযোগটি মিথ্যা ও বানোয়াট।


বংশীকুন্ডা(উঃ) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে হয়তো বা আমার ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তার নামে একটি মহল এই ধরনের মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে। অন্যদের চেয়েও এখানে অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে কাজ গুলো কাজ করা হয়।

No comments